ভিডিও

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

প্রতারণার কিংমেকার “মুন্না” পুলিশের জালে, চিত্তরঞ্জন পুলিশ দুমকা আদালতে ৬ দিনের পুলিশী হেপাজতের আবেদন জানান

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

কৌশিক মুখার্জি, নির্ভীক বাংলা আসানসোল

প্রতারণার আরেক নাম “মুন্না” ডোম ওরফে এম কে সিং, যিনি জাল সিমকার্ড, ভুয়া, প্রেস কার্ড,জাল পুলিশ পরিচয়পত্র, ভুয়া মানবাধিকার সংস্থার আইডি এবং লোগো নিয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে ওঠা বসা করে জনগণ ও পুলিশদের চোখে ধুলো দিয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে কয়েক লক্ষ্য টাকার প্রতারণা করে বলে অভিযোগ “মুন্না” ডোম। যাকে আটক করে জামতাড়া পুলিশ, তবে চিত্তরঞ্জন থানার পুলিশ দুমকা আদালতে ৬ দিনের পুলিশী হেফাজতের আবেদন জানান অভিযুক্তর জন্যে। জানা যায় চিত্তরঞ্জন থানা এলাকায় বিভিন্ন সাইকেল চুরির বিষয়ে এবং সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে লোকজন এর কাছে বহু টাকা প্রতারণা করেছে সেইসব জিজ্ঞাসাবাদ করছে চিত্তরঞ্জন থানার পুলিশ।”মুন্না” ডোম প্রায় সাত বছর ধরে চিত্তরঞ্জনের বেস রোড এলাকায় বসবাস করে চিত্তরঞ্জন ও মিহিজামের লোকদের প্রতারণা করে চলেছে। যার পরে সেই পরিবার মিহিজাম হাসি পাহাড়ি এলাকায় বসবাস শুরু করে। তিনি দীর্ঘদিন চিত্তরঞ্জন শ্মশান ঘাটে ডোমের ভূমিকা পালন করতো। এরই মধ্যে, তিনি একটি জাল পরিচয় তৈরি করে নিজেকে বাঁচাতে প্রেস কার্ড ব্যবহার করতে শুরু করে এবং পুলিশ ও আরপিএফ জওয়ানদের কাছ থেকেও তোলাবাজি চালিয়ে যেত। অবশেষে ওই ব্যক্তি জাল চাকরি দেওয়ার গোষ্ঠীর সাথে হাত মিলিয়ে অনেকের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার নামে প্রায় ৭ লক্ষ টাকা প্রতারণা করেন। এছাড়াও ভুয়ো সিবিআই অফিসার হওয়ার ভান করে দোকান থেকে জিনিসপত্র নিয়েও পালিয়ে যেত। এখনও অব্দি তিনি লক্ষ লক্ষ সম্পদ ও বিলাস বহুল জীবন যাপন করছিলেন। কিন্তু এই বিলাসবহুল জীবন বেশিদিন আর টিকলনা ২০২১ এর ৩১সে মে গ্রামবাসীদের হাতে ধরা পড়ে এবং তাকে ধরে এবং দুমকার মাসালিয়া থানায় পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।কারন ওই গ্রামে “মুন্না” ডোম নিজের স্ত্রীর স্কুটিতে একটি পুলিশ লোগো লাগিয়ে ভুয়ো ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে পরিচয় দিয়ে পথে ঘাটে গাড়ী চেকিং ও দোকান থেকে অবৈধ অর্থ আদায় করছিল। কিন্তু মুন্নার এই কার্যকলাপ কিছুদিন ধরে গ্রামবাসীদের সন্দেহ হয় তখন তাদের সন্দেহ হলে গ্রামের লোকেরা প্রথমে মুন্নাকে ধরে গ্রামে বেঁধে রাখে এবং পরে পুলিশে খবর দেয়। তদন্তে পুলিশ মুন্নার কাছ থেকে সিবিআই, পুলিশ, প্রেস সহ অনেক জাল আইডি উদ্ধার করেছে। এর পরে পুলিশ তাকে আটক করে ।এই ঘটনার পরেই চিত্তরঞ্জন পুলিশও মুন্নার সন্ধানে মাসালিয়ায় পৌঁছে তদন্ত করে। এর পরে মুন্নাকে দুমকা আদালত থেকে পুলিশী হেফাজতে নেওয়া হয়। অন্যদিকে চিত্তরঞ্জনের ৭৯ নম্বর সিমজুড়ি রাস্তার বাসিন্দা প্রিয়া কুমারী আসনসোল সিজিএম আদালতে “মুন্না” ডোমকে ১৫ লক্ষ টাকার জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করেন। এই ঘটনায় পুলিশ মুন্নাকে হেফাজতে নিয়েছে। পাশাপাশি আমলাদহী বাজার থেকে হরজিৎ সিংয়ের মোবাইল দোকান থেকে ২৫,০০০ টাকার মোবাইল কিনে নকল চেক বাউন্সের একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে চিত্তরঞ্জন আরসাইডের বাসিন্দা শালিনী শর্মাকে রেলে চাকরী দেওয়ার নামে ১০ লক্ষ টাকার প্রতারণা করার অভিযোগও রয়েছে। এর পাশাপাশি তিনি মিহিজাম, মুঙ্গের, জম্মু, ধনবাদ থেকেও একাধিক লোককে প্রতারনার শিকার করেছে মুন্না। চিত্তরঞ্জন থানার আধিকারিক অতীন্দ্র নাথ জানিয়েছেন যে মুন্নাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, তিনি বহু মামলায় জড়িত রয়েছেন,এমন কিছু ঘটনা রয়েছে যে অনেক মামলা তার দ্বারা সমাধান করা সম্ভব হবে বলে জানান।

TAGS

সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ খবর