ভিডিও

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

ভার্চুয়াল এর মাধ্যমে জাম্বো কোভিড কেয়ার হাসপাতাল উদ্বোধন,আসানসোলের বার্নপুরে

ভার্চুয়াল এর মাধ্যমে জাম্বো কোভিড কেয়ার হাসপাতাল উদ্বোধন,আসানসোলের বার্নপুরে

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

লিলটু বাউরি, নির্ভীক বাংলা আসানসোল :

কেন্দ্র ও রাজ্যের সহযোগিতায় কোভিড হাসপাতাল তৈরি করার পরিকল্পনা করা হয়েছিলো আগেই আর পশ্চিম বর্ধমান জেলাসশকের পরিদর্শনও করেছিলেন। নির্বাচন শেষ হতেই কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে প্রত্যেকটা দিন যখন করোনা সংক্রমণ নতুন রেকর্ড ভেঙে এগিয়ে চলছে সাথে বাড়ছে মৃত্যু মিছিল। দেশের প্রত্যেক রাজ্য তথা জেলার মধ্যে দেখা যাচ্ছে অক্সিজেন আহাকার। ঠিক তখন পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের বার্নপুরের ছোট দিঘারিতে কোভিড হাসপাতাল তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। তাই বুধবার সেলের ইসকো কতৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে এবং এক বেসরকারি হাসপাতালের সহযোগিতায় এই জাম্বো কোভিড কেয়ার হাসপাতাল চালু করা হয় ভার্চুয়াল এর মাধ্যমে। এদিন ২০০ বেডের জাম্বো কোভিড হাসপাতাল চালুর পাশাপাশি অক্সিজেনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই বিষয়ে সেল আই এসপি আধিকারিক অনুপ কুমার বলেন, অক্সিজেন ও কোভিড জমবো কোভিড কেয়ার ইউনিট হাসপাতাল আজ থেকে শুরু করা হলো। এটা আমাদের বার্নপুরের আই এস পির একটা স্কুল। মন্ত্রণালয় এটা তুমি লেখ থেকে অর্ডার ছিলো ৫০০ বেডের একটা কোভিড হাসপাতাল করার জন্য। আমরা শুরুতে প্রথমে আমরা ২০০ বেডের হাসপাতাল বানিয়েছি। আমরা নিজেদের প্লান্ট থেকে অক্সিজেন নিয়ে এসে এই হাসপাতালে দেবো। বাকি সিভিল,জল,ইলেকট্রিক সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। সব কাজ কমপ্লিট যেটা বাকি আছে সেটাও আজ হয়ে যাবে। তারপর রাজ্য সরকারের ওপর ছেড়ে দেবো।ওরা তারপর যেভাবে চালাবে। আমরা পুরো সাহায্য করবো। দরকার পড়লে আরও ৩০০ বেড বাড়িয়ে দেবো। এরপরই হেলথ ওয়ার্ল্ডের কর্ণধার অরুনাংশ গাঙ্গুলী জানান করোনা কোভিড কেয়ার ইউনিট তৈরী হয়েছে মূলত ইস্কো তাদের উৎপাদিত অক্সিজেন এইখানে সরাসরি সরবরাহ করতে পারবে।করোনা আক্রান্ত রুগীদের জন্য শয্যার দরকার ছিল ইস্কো সে সমস্যার সমাধান করে দিয়েছে। রাজ্য সরকার এবং বেসরকারি হাসপাতাল যৌথভাবে এই ইউনিটে ভর্তি হওয়া রুগীদের চিকিৎসা করবে। আপাতত ২০০ শয্যা এবং দশ শয্যার আই সি ইউনিট করা হয়েছে সেখানে প্রাথমিকভাবে গুরুত্ব পাবে কেয়ার ইউনিটে ভর্তি হওয়া রুগীরা। চিকিৎসক এবং নার্স মিলে ৬৭ জন এখানে করোনা আক্রান্ত রুগীদের চিকিৎসা করবে। ওষুধ খাবার সহ সবকিছু নিয়ে নুন্যতম ৩০০০ টাকা প্রতিদিন ধার্য্য করা হয়েছে এবং আই সি ইউতে ৫০০০ টাকা প্রতিদিন হিসাবে ধার্য্য করা হয়েছে বলে জানান বেসরকারি হাসপাতালের আধিকারিক।

TAGS

সম্পর্কিত খবর