ভিডিও

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

আবারো মর্মান্তিক ঘটনা ঘটলো চিরকুন্ডা থানার অন্তর্গত ডুমরিজোড় অঞ্চলে

কয়েক ডজন মানুষ মাটির নিচে দাবা পড়ে রয়েছে বলে খবর*

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

*

রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জী ও কৌশিক মুখার্জী: আসানসোল:-

আবারো মর্মান্তিক ঘটনা ঘটলো চিরকুন্ডা থানার অন্তর্গত ডুমরিজোড় অঞ্চলে।অবৈধ কয়লা খনিতে খনন করার সময় হঠাৎ করে ডুমরিজোড়ে মাটির রাস্তা বসে যায়,প্রায় কয়েক ডজন মানুষ মাটির নিচে দাবা পড়ে রয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।জেসিপি দিয়ে মাটি কেঁটে খনির ভিতরে কেউ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ প্রশাসন।স্থানীয়দের দাবি করেন পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় এই অঞ্চলে কয়েক ডজন ইনলেগেল মাইন্স চালনা করা হয়।শত শত মানুষ প্রতিদিন গভীর গর্তের ভেতরে ঢুকে কয়লা কাটে।তাই তাদের দাবি প্রায় ৫০ জনের বেশি চাপা পড়ে রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায় এদিনের আবারো হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটলো নিরসায়, অবৈধ খননের সময় ডুমরিজোড়ে রাস্তা বসেছে, কয়েক ডজন লোক নিচে দেবে গেছে খবর পাওয়া যাচ্ছে , বিষয়টি চিরকুন্ডা থানা এলাকার।

এক স্থানীয় জানায় পঞ্চায়েত সদস্য হোক সমিতির সদস্য হোক এত বড় দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও এখনো পর্যন্ত কেউ এই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নি এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় দুঃখের ব্যাপার আমরা বরাবর বলেছিলাম যে এই অবৈধ খাদান বন্ধ করা হোক কিন্তু অবৈধ খাদান বন্ধ করা হয়নি পুলিশ থেকে এসপি পর্যন্ত কেউ এখনো পর্যন্ত এখানে আসেনি আমরা চাইছি যে এই অবৈধ খাদান বন্ধ হোক এবং মাটির তলে যে সমস্ত শ্রমিকরা চাপা পড়ে আছে তাদের উদ্ধার করে তাদের মৃত শরীর আমাদের সামনে আনা হোক।

আরও এক স্থানীয় বলেন আমার যতটা আন্দাজ আছে যে পুলিশ প্রশাসন এসডিপিও এবং চিরকুন্ডা থানা, ম্যানেজমেন্ট একবার করে আসে আর এ সমস্ত অবৈধ খাদান গুলোকে বন্ধ করে চলে যায় পরবর্তী ক্ষেত্রে আবার এরা এই ধরনের অবৈধ খাদান থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু করে এরকম বন্ধ আর খোলার জন্য এই দুর্ঘটনা বলে আমার মনে হয় আমরা চাইছি যে এইরকম অবৈধ খাদান গুলোকে বন্ধ করে দেওয়া এবং তাদের উপর নজরদারি চালানো। বিসিএসসিএল নিজের দায়িত্ব থেকে তারা এড়িয়ে যাচ্ছে। অবৈধ খাদান থেকে কয়লা চুরি হচ্ছে। এটা সরকারের সম্পত্তি নষ্ট হচ্ছে। এগুলোর দিকে নজর দেওয়া উচিত।

প্রাক্তন বিধায়ক অরূপ চ্যাটার্জী বলেন নিরসা বিধানসভা কেন্দ্রে ডুমরি জড়ায় অবৈধ কয়লা উত্তোলন করে। প্রতিদিনই পশ্চিমবঙ্গের কিছু শ্রমিকরা এসে এই অবৈধ খাদান থেকে কয়লা উত্তোলন এর কাজের সঙ্গে যুক্ত। কোন রকম ভাবে দুর্ঘটনা ঘটে যায় ধসের কবলে পড়ে শ্রমিকরা প্রায় ৪০থেকে ৫০ জন শ্রমিক ভেতরে ঢুকে ছিল এবারে কতজন বেঁচে আছে কি মরে গেছে তার খবর এখনো পর্যন্ত জানিনা তবে পুলিশ আসতে বহু সময় নিয়েছে তার কারণ পুলিশ মানতেই রাজি নয় যে এখানে অবৈধ কয়লা উত্তোলন হয়।

চিরকুন্ডা থানার ওসি জিতেন্দ্র কুমার বলেন যতটা জানতে পারা যায় যে সকাল আটটা থেকে সাড়ে আটটার সময় এই ঘটনা ঘটে। মাটি ধসে যাওয়ার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে, কাঁচা রাস্তা ছিল যার মধ্যে বড় বড় ফাটল দেখা গেছিল তো এর কারনে হয়তো মাটি ধসের কারণে এই দুর্ঘটনা। বিসিএলের সহযোগিতায় আমরা দেখছি কোন হতাহতের খবর আছে কিনা।

TAGS

সম্পর্কিত খবর