ভিডিও

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা,

আসানসোল বাসীদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন জানিয়েছেন

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

লিলটু বাউরি, আসানসোল

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভাকে ঘিরে উদ্দীপনার পাশাপাশি আক্রমণ,অভিযোগ। এইভাবেই জনসভা হল আসানসোলে।

আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের সকল বাসীদের
শুভেচ্ছা জ্ঞাপন। প্রসঙ্গত; আসানসোল লোকসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহাকে জয়লাভ প্রসঙ্গে বলেন আমি আসানসোলের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ জানিয়ে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের স্টেডিয়ামে সভায় বক্তব্য শুরু করেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রচন্ড গরমের মধ্যে ভোট দিয়ে আপনারা তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীকে প্রচুর ভোটে জিতিয়ে আসানসোলের মানুষ একটা দিশা দেখিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তার জন্য আপনারা ভালো থাকবেন। আপনাদের ভালোবাসা ও ধন্যবাদ জানাই।

এরপরই আসানসোলের স্টেডিয়ামে সভা মঞ্চ থেকে বিজেপিকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুর চড়ালেন কেন্দ্রের একাধিক নীতির বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন নরেন্দ্র মোদি সরকারে আসার সময় বলেছিলেন ১৫ লক্ষ টাকা করে একাউন্টে দেবে। কিন্তু দেয়নি, আপনারা কি পেয়েছেন না পাননি। উজালা যোজনার গ্যাস সিলিন্ডার দিয়েছিলো। এখন সেই সিলিন্ডার হাজার টাকা পার করেছে। কৃষকদের কি অবস্থা সারাদেশে। আর কেউ কিছু বললেই ইডি, সিবিআইকে লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সত্যি কথা বলা যাবে না। যারা দাঙ্গা করে, উস্কানি দেয়, তাদের গ্রেফতার করা হয় না। ওদের কেউ খুন করলেও, কিছু হয়না। উল্টে সিকিউরিটি দেওয়া হয় এমনটাই আক্রমণ করেছেন।

বিশেষ করে সাম্প্রতিক কালের অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে তিনি কেন্দ্রের মোদি সরকারের করা সমালোচনা করেন তিনি। বলেন যে সম্প্রতি এক কর্নেল তাকে চিঠি লিখেছেন যে চার বছর পর যখন এই অগ্নিবিরদের সেনাতে চাকরি থাকবে না। তখন রাজ্য সরকারকে তাদেরকে রোজগার দিতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যর্থহীন ভাষায় বলেন যে রাজ্য সরকার ওই সমস্ত অগ্নিবিরদের কোন দায়িত্ব নেবে না। তিনি বলেন যে মাত্র চার বছরের জন্য নিয়োগ করার পর রাজ্য সরকারগুলির ঘাড়ে দায়িত্ব ফেলে দেওয়ার তিনি ঘোর বিরোধী। তিনি বলেন যে কেন্দ্র সরকারের নোংরা তিনি ঘাঁটবেন না।

এরপর তিনি বলেন রেল বস্তি উচ্ছেদ হতে দেবেন না সারা জীবন রেলের জায়গাতে তারা কাটিয়েছেন তাদের প্রোটেকশন দেওয়া আমাদের কাজ। পুনর্বাসন না দিয়ে ওদের উচ্ছেদ করা যাবে না। আমরা চাই রেল প্রাইভেট যাতে না হয়। এয়ার ইন্ডিয়া প্রাইভেট যাতে না হয় এসমস্ত সংস্থাগুলিতে প্রাইভেট না হয়। কিন্তু আপনারা প্লান করেছেন চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ কে বন্ধ করবে। কোল ইন্ডিয়া কে বন্ধ করবে। ওরা প্ল্যান করেছে রেলের যত চাকরি আছে সব ওরা নিয়ে নেবে। তাহলে আপনি যদি সব চাকরি নিয়ে নেবেন তাহলে চার বছরের জন্য ৬০ হাজার চাকরি কি করে দেবেন।

আসল কথা হলো ওরা সব জায়গায় প্রধানমন্ত্রীর ছবি লাগাতে চায়। লাগাক কেউ মানা করেনি,এইভাবে ছবি লাগাতে লাগাতে একদিন ছবি হয়ে যাবে বিজেপি।

অন্যদিকে টেট প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ প্রসঙ্গে বিজেপি এবং সিপিএম কে কটাক্ষ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরা প্রতিদিন একটা করে নাটক করে বেড়াচ্ছে বিজেপি এবং সিপিএমের লোকেরা। সংবাদ মাধ্যমকে অনুরোধ করবো। মিটিং গুলোতে এভাবে লক্ষ লোকের কাছে চারজন এসে কি করলো এটাকে নিয়ে বাড় বাড়ন্ত করবেন না। কারণ কোর্ট অর্ডার না দিলে আমরা এইটা করতে পারিনা। যেহেতু কোর্টে আমি যায়নি আপনারা গিয়েছিলেন বলে এই মন্তব্য করেছেন।আমাদের না বলে আপনারা যারা কোর্টে কেস করিয়েছেন এবং আপনাদের হয়ে সিপিএমের ল-ইয়ার বিকাশ বাবুকে বলুন। বিকাশ বাবুর তো পয়সার অভাব নেই। আপনি কেস করে আমাদের ছেলেমেয়েদের চাকরি বন্ধ করে দিলেন।

এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় তার বক্তৃতা শেষ করে দুর্গাপুর সিটি সেন্টারের উদ্যেশ্যে রওনা হোন। সেখানে তিনি সার্কিট হাউসে মঙ্গলবার রাত্রিবাস করে পরেরদিন পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান যৌথভাবে দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেবেন।

TAGS

সম্পর্কিত খবর